প্রতিবছর ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ দিন সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের স্বাক্ষরিত জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
সরকার প্রতিবছর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ (সাধারণ ছুটিসহ) হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং উক্ত তারিখ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের নিমিত্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের ০৪.০০.০০০০.৪১৬.২৩.০০২.১৭.৬১৪ সংখ্যক পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
এর আগে ২৫ জুন জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। এছাড়া ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ এবং ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ ঘোষণা করা হয়। পরে নতুন বাংলাদেশ দিবস উদযাপন থেকে সরে আসে সরকার।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’কর্মসূচি ঠেকাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগের দিন ৪ আগস্ট দুই দফায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। বৈঠকে এই কর্মসূচি মোকাবিলার পরিকল্পনা হয়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেছেন, সেদিন সকাল থেকেই সেনাবাহিনী জানত, শেখ হাসিনার পতন হয়ে গেছে। কিন্তু পুলিশ জানত না। তাই পুলিশ তখনো সরকারকে রক্ষা করতে সর্বাত্মকভাবে মাঠে ছিল।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে। আর সেদিনই শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয় এবং তিনি নিজে দেশত্যাগে বাধ্য হন।


