পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং তারেক সাঈদ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ৩০ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ অলি মিয়া। তিনি আদালতে জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা আরও দুই মাস সময় চেয়েছেন। এরইমধ্যে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য দিন ধার্য করে আদালত। শুনানি উপলক্ষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
এর আগে প্রসিকিউশনের আবেদনের শুনানি শেষে ১০ আগস্ট গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার পৃথক অভিযোগে জিয়াউল আহসান এবং তারেক সাঈদ মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী বলেন, ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরের বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, জহিরুল ইসলাম সুমন ও আসাদুজ্জামান বাবুলকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়।
একই ঘটনায় বিএনপি কর্মী বেল্লাল হোসেনকে গুম করার অভিযোগও রয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর কুমিল্লার লাকসামের বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম হিরু ও হুমায়ুন কবির পারভেজকে গুম করার অভিযোগ রয়েছে।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ঘটনার সময় র্যাব-১১-এর কমান্ডিং অফিসার বা সিও ছিলেন লে. কর্নেল তারেক সাঈদ এবং র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) ছিলেন জিয়াউল আহসান।


