‘জামায়াত বর্জন করেছে, তাদের জিজ্ঞেস করেন’

‘জামায়াত বর্জন করেছে, তাদের জিজ্ঞেস করেন’
ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে জামায়ত ইসলামীর অনিয়মের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এই দুই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

দুই আসনের নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অভিযোগগুলো নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখবেন কি না জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘অবশ্যই খতিয়ে দেখব। আমি ইতোমধ্যে সংস্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলেছি। এর বাইরে আর কিছু বলতে পারব না।’

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ইসি সচিব বলেন, ‘জামায়াত বর্জন করেছে, তাদের জিজ্ঞেস করেন। আমরা নির্বাচন আয়োজন করেছি, আমরা তো বলিনি, নির্বাচন বর্জন করেন।’

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘আমি শুনেছি জাল ভোটের কারণে (জামায়াত) বয়কট করেছে। সারাদিন ধরে ভোট গেল, এখন শেষ হওয়ার ২০ মিনিট আগে জাল ভোট। আচ্ছা ঠিক আছে। এটা তাদের রাজনৈতিক ব্যাপার। এটা নিয়ে কোনো মন্তব্য নেই।’

আরও পড়ুন

আখতার আহমেদ বলেন, ‘তবে আমি আমার (ইসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বলেছি, আপনারা একটা প্রতিবেদন দেন। আর ফলাফলটা যেন দেরিতে না হয়। কারণ, ফলাফলটা তো দিতে হবে।’

এর আগে দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর মগবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের তথ্য পাচ্ছেন তারা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে কিছু কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই প্রিসাইডিং অফিসাররা এজেন্টদের কাছ থেকে ফলাফলের শিটে স্বাক্ষর নিয়েছেন।

এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন তিনি।

এদিকে আজ বিকেল তিনটায় শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান। তার দাবি, সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

দলটির অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জালভোট এবং প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অভিযোগ দেওয়া হলেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর