জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় অতীতে ঘটে যাওয়া বালিশ, পর্দা ও ছাগল কাণ্ডের মতো ঘটনা আর যেন না ঘটে, সেজন্য সংসদ কমিটি সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, সংসদ অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেমের বিকল হওয়া নিয়ে তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। আগামী ২ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্যরা রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. অলি উল্লাহ, মো. সাইফুল আলম, মো. আবুল হাসনাত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
বৈঠক শেষে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি সাংবাদিকদের বলেন, সংসদ কমিটির বৈঠকে আসবাবসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন বিগত সময়ে ঘটিত বালিশ, পর্দা ও ছাগল কাণ্ডের মতো ঘটনা আর না ঘটে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করব।’
এ ছাড়া, আসবাবপত্রের গুণগত মান ভালো রাখার পাশাপাশি, ক্রয়মূল্য যুক্তিসংগত হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সুপেয় পানি নিয়ে সমস্যা হয়েছে, সেটার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই সকল সংসদ সদস্য বাসায় উঠতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করছি।
সাউন্ড সিস্টেমের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘সাউন্ড সিস্টেমে সত্যিই কোনো নাশকতা হয়েছে কি না, তা আমরা গুরুত্বসহকারে যাচাই করছি। ৫ আগস্টে সাউন্ড সিস্টেমে নাশকতা ঘটেছিল। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এবং তদন্ত কমিটি ২ এপ্রিল প্রতিবেদন দেবে।
কমিটির বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়, যেমন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সংসদ সদস্য ভবন এবং নাখালপাড়ায় সংসদ সদস্য ভবনগুলোর সংস্কার, মেরামত এবং সংসদ সদস্যদের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণের জন্য পদায়ন।
সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা চিহ্নিতকরণের জন্য রকিবুল ইসলামকে এবং সংসদ ভবনের ক্যানটিনের খাবারের মান যাচাইয়ের জন্য নায়াব ইউসুফ আহমেদকে আহ্বায়ক করে দুটি সাব কমিটি গঠন করা হয়েছে।


