চুয়াডাঙ্গায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে লোকবল সংকট

চুয়াডাঙ্গায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে লোকবল সংকট
চুয়াডাঙ্গায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

১৯৫৯ সালে দেড় বিঘা জমির ওপর চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার টাউন ফুটবল মাঠের পাশে গড়ে ওঠে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে লোকবল সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া ওষুধ, অক্সিজেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ না থাকা আর অ্যাম্বুলেন্স সেবা ও স্টাফদের বেতন বন্ধ রয়েছে দুই বছর ধরে। ফলে নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

অথচ, প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সঙ্গে এলাকার মানুষকে চিকিৎসা ও সেবা দিচ্ছে কেন্দ্রটি। এ প্রতিষ্ঠানে গর্ভবতী নারী, নবজাতক, শিশু ও পরিবার পরিকল্পনাসহ সব ধরনের সেবা দেওয়া হয় বিনামূল্যে। প্রসব ও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য ২০টি শয্যা রয়েছে।

২৬ রকমের ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ, অক্সিজেন সরবরাহ প্রায় দুই বছর বন্ধ রয়েছে। নরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ানের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ রোগীদের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের পুরাতন ভবন, স্টাফ কোয়ার্টার ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আটটি পদের বিপরীতে চারজন দায়িত্ব পালন করছেন। মেডিকেল অফিসার, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক, পিয়ন ও নার্স মিলিয়ে একজন করে দায়িত্ব পালন করছেন। মেডিকেল অ্যাটেনডেন্স, নার্সিং এটেনডেন্ট, অ্যাম্বুলেন্স চালক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন।

আরও পড়ুন

চিকিৎসা নিতে আশা সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের কনিকা খাতুন বলেন, ‘কোনো কিছু না থাকলেও ভাল সেবা পাওয়ার কারণে এখানে আসি, যদি ওষুধ ও চিকিৎসক থাকতো তাহলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হতে হতো না এবং জেলার সাধারণ মানুষগুলো বিশেষ করে প্রসূতি মা ও নবজাতক শিশুরা  অল্প খরচের মধ্যেই এখান থেকে চিকিৎসা সেবা পেত।’

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার শামসুন্নাহার শম্পা বলেন, ‘সেবার মান ভাল থাকলেও নানা সমস্য বিদ্যামান। সমস্যাগুলো যদি সরকারিভাবে সমাধান করার ব্যবস্থা করে তাহলে এ জেলার সমস্ত প্রসূতি মা ও শিশুরা সঠিক চিকিৎসা পাবে এবং ওষুধ পাবে।’

খুলনা বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসা সেবা চলমান রেখেছে। এখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্স এবং রোগীদের জন্য মা ও শিশু কেন্দ্রের যে সমস্ত সমস্যা আছে সব সমস্যা অল্প দিনের মধ্যে সমাধান করা হবে।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত চিকিৎসা ও সেবা নিয়েছেন প্রায় চার হাজার  মানুষ। যা অন্য সময়ের অর্ধেকের কম।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad