চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার চামুশা ও চানশিকারী সীমান্ত এলাকা দিয়ে তৃতীয় দফায় আরও ১৯ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিজিবি) ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার ভোর পাঁচটার দিকে ভোলাহাট উপজেলার চামুশা বিওপি ও চানশিকারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার আর্ন্তজাতিক সীমান্তপিলার ১৯৬/২ এস এর কাছে ১৯ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। এদের মধ্যে তিন শিশু, ছয় নারী এবং ১০ জন পুরুষ রয়েছেন।
তারা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর চরমহিষপুর গ্রামের লুৎফর রহমান (৩৮), রাজশাহীর গোদাগাড়ির চরআষাড়িয়াদহ গ্রামের আসাদুল (৩৩), গোগ্রাম শ্রীরামপুরের দেলোয়ার হোসেন (২৮), মালকামলার হযরত আলী (২৮), যশোরের চৌগাছা উপজেলার সুখপুকুরিয়া আড়সিংরীর আরিফ হোসেন (৩৮), রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির চরখি কমলা গ্রামের আব্দুর রহমান (৩৭), মাগুরার সদর উপজেলার গাংনী নতুন গ্রামের সয়ন সিকদার (২২), খুলনার সদর উপজেলার পুকুরজানা ঘোপখালীর জান্নাতুল ফেরদৌস (২৬), ঢাকার আশুলিয়ার নবীনগর গ্রামের সুমি (২৫), শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ (২ মাস), কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ির হাজিপাড়া দাসিয়াছড়া কালিরহাট হাজিপাড়া গ্রামের মেহেদুল ইসলাম (২৩), এবি আব্দুল মোতালেব (৪৭), মোকছেদুল হক (৩০), মুর্শিদা বিবি (৩৭), শরিফা বেগম (২৫), রমজান হক (০৩), নড়াইলের কালীয়ার কতুয়ালী গ্রামের রেহেনা বেগম (৫৫), ময়মনসিংহের ফুলপুরের গড়পয়ারী গ্রামের শাপলা আক্তার (২১) এবং রুহী আক্তার (০২)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ মহানন্দা বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া প্রেস নোটের মাধ্যমে জানান, ২০১৫ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময় কাজের সন্ধানে অবৈধভাবে তারা ভারতে প্রবেশ করে, পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে পুলিশ তাদেরকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। বুধবার ভোরে তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিলে বিজিবির টহলদল তাদেরকে সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করে। পরে তাদেরকে ভোলাহাট থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
একই সীমান্ত এলাকা দিয়ে গত ৩ জুন আট জনকে এবং ১৪ আগস্ট ১৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে বিএসএফ।


