চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির সংরক্ষিত আসনে আলোচনায় যারা

চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির সংরক্ষিত আসনে আলোচনায় যারা
ওপরের সারি (বাম থেকে): শাকিলা ফারজানা, জেলী চৌধুরী, মনোয়ারা বেগম মনি ও ফাতেমা বাদশা। নিচের সারি (বাম থেকে): নাজমা সাইদ, জেসমিনা খানম, সুলতানা পারভীন ও কামরুন নাহার দস্তগীর | কোলাজ: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দল ও জোটভিত্তিক আসন বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্ররা পাবে ৩৬টি সংরক্ষিত আসন। এ প্রেক্ষাপটে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা একাধিক নারী নেত্রী মনোনয়নের আলোচনায় উঠে এসেছেন, বিশেষ করে চট্টগ্রাম থেকে কয়েকজনের নাম বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

চট্টগ্রামের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের কন্যা শাকিলা ফারজানা। আন্দোলন-সংগ্রাম ও আইনি লড়াইয়ে সক্রিয় এই নেত্রী বিগত সময়ে রাজপথে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি কারাবরণও করেছেন। দলীয় নেতাকর্মী ও সচেতন মহলের একটি অংশ তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে আগ্রহী।

এ বিষয়ে শাকিলা ফারজানা টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘এটা পুরোপুরি দলের ওপর নির্ভরশীল। দল ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকে মনোনয়ন দেবেন। আমি দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের মানুষের জন্য বিগত দিনেও সংগ্রাম করেছি, কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব।’

‘সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা এবং অতীতে দলের জন্য অবদান–এই দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা উচিত।’

আরও পড়ুন

এ ছাড়া মনোনয়নের আলোচনায় রয়েছেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি ও সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় নেত্রী নাজমা সাঈদ, মহানগর বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক কামরুন নাহার দস্তাগীর এবং ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী সুলতানা পারভীন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, ‘সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা এবং অতীতে দলের জন্য অবদান–এই দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা উচিত।’

দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা এবং তৃণমূলে গ্রহণযোগ্যতাকে বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিও এ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ মে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটভুক্ত দলগুলো পাবে ১৩টি আসন। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র ছয়জন সংসদ সদস্য একত্র হয়ে একটি আসন পাবেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad