বুধবার সকাল ১১টা থেকেই মেঘের আনাগোনা ছিল চট্টগ্রামের আকাশে। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁতেই অবশ্য কখনো মুষলধারে, কখনো ঝিরিঝিরি ছন্দে পড়ছে বৃষ্টি। এই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায় বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের টিম বাস। তবে ড্রেসিংরুম থেকে বেরোতে দেখা যায়নি কাউকেই।
ম্যাচ শুরুর কথা ছিল দুপুর ২টায়, সেই অনুযায়ী টসের সময় দুপুর ১.৩০টা। কিন্তু আগের দিন থেকে বৃষ্টি না থামায় কভারেই ঢেকে রাখা হয়েছে সাগরিকার উইকেটগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় টসও বিলম্বিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত আম্পায়ার বা ম্যাচ অফিসিয়ালদের দেখা যায়নি মাঠে পরিদর্শনের জন্য আসতে।
ওয়েদার ফোরকাস্ট বলছে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। কমপক্ষে পাঁচ ওভারের ম্যাচ মাঠে গড়াতে কাট অফ টাইম ৪.৫০ মিনিট। এদিকে চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও দুর্দান্ত। কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু টাইমস অফ বাংলাদেশকে জানান, বৃষ্টি থামলে ৪০ মিনিটের মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী করে তুলতে পারবেন গ্রাউন্ডসম্যানরা। অবশ্য বৃষ্টি না থামলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
টস বিলম্বিত হওয়াতে ব্রডকাস্টারদের সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রথম ম্যাচে ১৩ বলে ৩১* রানের ইনিংসে দলকে জেতানো শামীম হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘আমোড়া খেলার জন্য সবসময়ই তৈরি থাকি। কিন্তু আবহাওয়া-প্রকৃতির ওপর তো আমাদের আর হাতে নেই। তবে মানসিকভাবে আমরা প্রস্তুত আছি, কারণ যেকোনো সময় ম্যাচ শুরু হতে পারে।’
সোমবার চট্টগ্রামের এই মাঠে নিউজিল্যান্ডকে ১৮২ রানে আটকে রেখে সেই লক্ষ্য ১২ বল ও ৬ উইকেটে হাতে রেখে টপকে যায় বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের পর শেষটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ মে, মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।


