গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর লুইস মুরমু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। লুইস মুরমু উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের রাজাবিরাট গ্রামের সুরুজ মুমুর ছেলে।
সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ ।
সাঁওতাল নেতা বিরাট মুরমুর দাবি, লুইস মুর্মু গত রোববার দুপুরে তার শ্বশুরাড়ি কামদিয়া ইউনিয়নের তুলট গ্রামে যায়। সেদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভ্যানে করে নিজের বাড়ি রাজাবিরাটে ফিরছিলেন তিনি। সম্ভবত পথিমধ্যে সে হামলার শিকার হয়। এরপর শাখাহার ইউনিয়নের শালপাড়া রাস্তার পাশে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়।
তাকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া টিএমএস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার মাথার পিছনে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের ছেলে মাইকেল মুর্মু বলেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যই গুরুতর আহত করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজ আলম বলেন, নিহতের মাথার পেছনে গুরুতর জখম রয়েছে। সে কারণে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।


