ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী বিভিন্ন রুটে ৫১ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর ফলে ঢাকায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার যাত্রী আটকা পড়েছে। গত দুইদিনে শুধুমাত্র ঢাকা-রিয়াদ রুটে ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। গত মধ্যরাত থেকে দাম্মাম, জেদ্দা, মদীনা রুটেও ফ্লাইট বাতিল করছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।
সোমবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১০টি এয়ারলাইন্সের মোট ৩৯টি (ট্রান্সজিট) ফ্লাইট বাতিল হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের। তাদের ১৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তবে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের সবগুলো ফ্লাইটই ট্রানজিট ফ্লাইট।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চারটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুটি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের তিনটি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের তিনটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সালাম এয়ারের তিনটি, ইজিপ্ট এয়ারের একটি, এমিরেটসের নয়টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি ও ফ্লাইট দুবাইয়ের ৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
শনিবার ও রোববার দুই দফায় রিয়াদের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রেখেছে।
হামলার পর রিয়াদের আকাশ প্রায় ফাঁকা
এদিকে, ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের প্রাণঘাতী হামলার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আকাশ সোমবার প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে।
উড়োজাহাজ চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন অ্যানালিটিকস ফার্ম সিরিয়ামের হিসাবে, সোমবার রিয়াদের নির্ধারিত ফ্লাইটের প্রায় ৬০ শতাংশ বাতিল হয়ে থাকতে পারে।
জেদ্দার পর সৌদি আরবের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিমানবন্দরটির নির্ধারিত ফ্লাইটের ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বাতিল করা হয়।
সোমবার সৌদি আরবজুড়ে নির্ধারিত ফ্লাইটের এক-তৃতীয়াংশের বেশি চলাচল করবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ফ্লাইট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর হিসাবে, রিয়াদ বিমানবন্দরে প্রায় ৭৮ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।


