গণভোটের খসড়া অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। রাষ্ট্রপতি এতে সই করলেই এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি হবে।
মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে ২০ নভেম্বর বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ করা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে মতামত নিতে গণভোট আয়োজনের কথা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের দিনই এ ভোট গ্রহণ করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তুলে ধরেন সেই গণভোটের প্রশ্ন কেমন হবে।
তিনি বলেন, ‘গণভোটের প্রশ্ন হবে এরকম–আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলির প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদের বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
(খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলির প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
(গ) যে ৩০টি বিষয়ে জাতীয় জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
(ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন হবে।’


