আগামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনৈতিক দলগুলো ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাবে এবং কোনো দলই ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে না।
বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১৬ বছর স্বৈরশাসনের কারণে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এবার মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেবে।
সাক্ষাৎকালে পাওলা পাম্পালোনি অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারমূলক কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে এই সংস্কার প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কার উদ্যোগ ইইউ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি বলেন, একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। এটি ঢাকা ও বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।


