ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘গণতান্ত্রিক নবযাত্রার’ সূচনা উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান অংশ নেন।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকদের পক্ষে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন, এ আয়োজনের লক্ষ্য ছিল দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের একত্রিত করা এবং নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় সম্পৃক্ততার বার্তা দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় সমতা ও ন্যায়ের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বানও জানান তিনি।
কামরুল আহসান বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক সংকট ও ক্রান্তিকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। নতুন সরকারের শপথগ্রহণের প্রেক্ষাপটে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের ১৯৭১ সালের বীর শহীদ এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ দেওয়া ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সংসদে দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার শপথ অটুট থাকবে–এ প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। প্রবীণ ও নবীনের সম্মিলিত প্রয়াসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।


