গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে, স্বাধীনতার সুফল পৌঁছে দিতে এবং দুর্নীতি ও দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে।’
মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আজও দেশে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়নি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, ‘৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় দিন, যেদিন সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানে দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হয়েছিল।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছুটা স্বস্তি এলেও ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের অঙ্গীকার এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। এখনো দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটছে এবং সাধারণ মানুষ আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক ও সাহসী সৈনিক জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। জনগণের ভালোবাসা ও সেনাদের আস্থার কারণেই জিয়া ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মহানায়ক হয়ে ওঠেন। এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জনগণ নতুন প্রত্যয়ে জেগে ওঠে এবং দেশ বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সামাজিক শান্তির পথে অগ্রসর হয়।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই বিপ্লবই আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করে।’
‘৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব ছিল স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলন, যার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান এবং জাতি পায় এক যোগ্য নেতৃত্ব,’ তিনি বলেন।


