ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শেষ হয়েছে। শুক্রবার রাতের এ বৈঠকে দলের নেতারা ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বলে দলের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক নিশ্চিত করেছেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ও সম্পাদকমণ্ডলীর কয়েকজন নেতারা ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকে যুক্ত হন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই, তবে ভবিষ্যতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে পারেন এমন কয়েকজনও দিল্লির বৈঠকে যোগ দেন।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। ওই দিন বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার যে পরিকল্পনার কথা শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তাকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের বিষয়টি বৈঠকের আলোচনায় গুরুত্ব পায়। শেখ হাসিনা এর আগে বলেছিলেন, তিনি ও দলের অন্য জ্যেষ্ঠ নেতারা দেশে ফিরে আদালতে হাজির হতে চান।
এই বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের করনীয় নিয়ে নেতারা বক্তব্য দেন। এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের কর্মসুচিতে একাত্মতা ঘোষনা করে আওয়ামীলীগ।
বৈঠক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন তিনজনকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয় যা পর্বর্তীতে জানানো হবে।
এই রিপোর্টটির কিছু তথ্যগত ভুল সংশোধন করা হয়েছে।


