বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল মন্ত্রেই ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান।
তিনি বলেন, ‘সেই গণঅভ্যুত্থানে তারেক রহমান ছিলেন নেপথ্যের একজন নায়ক। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সবার অবদান ছিল। ফলে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ত্বরান্বিত হয়েছিল এবং স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল।’
রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘৭ নভেম্বর প্রজন্ম’ সংগঠনের উদ্যোগে ড. মারুফ মল্লিকের লেখা ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ: নাগরিক ও জাতিবাদী জাতীয়তাবাদের সংকট’ গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া। এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, গ্রন্থের লেখক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারুফ মল্লিক প্রমুখ।
জুলাই-আগস্টের প্রজন্মের সকলকে আহ্বান জানিয়ে মঈন খান বলেন, ‘আসুন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কথাটি বলেছিলেন–ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়–সেই আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শকে অনুসরণ করি।’
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপির হাল ধরেন খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান, তার পরবর্তী পথ ধরেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে বিএনপি সামনে এগিয়ে যাবে।’
এ অনুষ্ঠানে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদে কীভাবে নির্বাচন হয়েছে, দেশের মানুষ সব দেখছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের যিনি ভিপি হয়েছেন, তাকে কি ম্যাজেস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়া হয়েছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো অবৈধ দোকান-পাট থাকতে পারে, তবে সেটার জরিমানা করার ক্ষমতা কি ডাকসুর ভিপির আছে? তিনি সেটা জরিমানা করে আবার পার্টির ফান্ডে দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কে দোকানদারি করছে, কে মার্কেট করছে, সেটা দেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আছে, তারা এগুলো দেখবে।’


