ক্রিকেটার সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে

ক্রিকেটার সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে
Advertisement
Advertisement

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন দিন ধার্য করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন থাকলেও তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তা উপস্থাপন করতে না পারায় বিচারক সময় বাড়িয়ে আগামী ২০ মে এ নতুন দিন ধার্য করেন।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশনা দেন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

২০২৪ সালের ১৭ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০ (বি) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন

মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও হিসাব ব্যবহার করে ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক সক্রিয় ট্রেডিং, জুয়াসদৃশ স্পেকুলেশন এবং কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দর বাড়ানোর মাধ্যমে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির শিকার হন।

অভিযোগে বলা হয়, এই প্রক্রিয়ায় মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা অন্যায়ভাবে অর্জিত অর্থ হিসেবে বিবেচিত।

প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রীর সহায়তায় প্রায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন বলেও মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

পাশাপাশি তার নিয়ন্ত্রণাধীন ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে দুদক।

মামলায় আরও বলা হয়, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগের মাধ্যমে সাকিব আল হাসান বাজার কারসাজিতে সহায়তা করেন। এ প্রক্রিয়ায় তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে তোলেন, যা তদন্তকারীদের মতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির বিনিময়ে অর্জিত।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর আদালত এ মামলা সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad