রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে আগামী শুক্রবার ইফতারের আয়োজন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জানা গেছে, ঈদের পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি কার্যক্রম শুরু করবেন। তবে তিনি বসবাস করবেন গুলশানের নিজ বাসভবনে। এ লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার পুরোদমে সংস্কার কাজ চলছে।
অফিস কার্যক্রম শুরুর আগেই ঈদুল ফিতরের দিন যমুনায় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে কূটনীতিকদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগেই বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও ঢাকাস্থ দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সম্মানে শুক্রবারের এই ইফতার আয়োজন করা হচ্ছে। ইফতারে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্যরা অংশ নেবেন। এটিই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ইফতার আয়োজন।
বিএনপি হাইকমান্ডের একজন নেতা জানান, প্রতি বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রমজানের শুরুতে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও আলেমদের সঙ্গে ইফতার করতেন। এবার সে ধরনের আয়োজন না থাকায় বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ইফতারের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কূটনীতিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্মানেও ইফতারের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ পাঠানো হচ্ছে।
বিএনপির আরেক নেতা বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বঙ্গভবনে অফিস করতেন এবং সেনানিবাসের মইনুল হোসেন রোডের বাসভবনে অবস্থান করতেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবার আদর্শ অনুসরণ করছেন। ঈদের পর তিনি সচিবালয়ের পাশাপাশি যমুনা অতিথি ভবন ও তেজগাঁও কার্যালয়েও অফিস করবেন, তবে বসবাস করবেন গুলশানের বাসায়।
এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে দিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তার বিদায়ের পর গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের জন্য যমুনা ভবনের সংস্কার কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।


