রমজান উপলক্ষে দেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, এতিম শিক্ষার্থী এবং আলেম-ওলামাদের সম্মানে পৃথক দুইটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে একটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং কূটনৈতিক মিশনের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
পরদিন শনিবার একই ভেন্যুতে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা এবং মাশায়েখদের সম্মানে আরেকটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় খরচ সাশ্রয়ের জন্য একই ভেন্যু ও একই মঞ্চে দুইটি ইফতার মাহফিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটি টাকাও অপ্রয়োজনীয়ভাবে খরচ করতে চান না। তাই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন এড়িয়ে সীমিত পরিসরে দুইটি ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হচ্ছে।’
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী মূলত দুইটি ইফতার আয়োজন করছেন–৬ মার্চ কূটনীতিকদের সম্মানে এবং ৭ মার্চ এতিম শিক্ষার্থী ও আলেম-ওলামাদের সম্মানে। দুইটি অনুষ্ঠানই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে রাজনীতিবিদদের সম্মানে ৮ মার্চ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মানে ১০ মার্চ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইফতার আয়োজনের সময়সূচি নির্ধারিত থাকলেও দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় তা বাতিল করা হয়েছে।
প্রতিবছর বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রমজানের প্রথম দিনে আলেম-ওলামা ও এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতার করতেন। বিরোধী দলে থাকাকালেও বিএনপি সেই ধারা অব্যাহত রেখেছিল।
তবে এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান পরিবারের সঙ্গে বাসায় ইফতার করছেন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন থেকে বিরত থাকছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান প্রথম রোজায় রাজধানীর ভাষানটেকসহ কয়েকটি এলাকায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন।
রমজানজুড়ে তারা মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণও করছেন।


