কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ আব্দুর রহমান শামীমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করতে আগ্রহী নয় তার পরিবার। নিহতের তিন ভাই ও আত্মীয়স্বজন বসে পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে এই সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে নিহত শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার বয়স হয়েছে। এসব নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করার সামর্থ্য আমার নেই।’
‘রোববার বিকালে শামীমের দাফনের পর রাতে পরিবারের সদস্যরা বসেছিলাম। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা বারবার মামলার কথা বলেছেন ৷ কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওই পথে না হাঁটার’, যোগ করেন ফজলুর রহমান।
এর আগে রোববার দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আরিফুর রহমান বলেন, ‘মামলার জন্য নিহত শামীমের পরিবারের সদস্যরা আসবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি।’
এ বিষয়ে সোমবার সকালে আবারও জানতে চাইলে ওসি আরিফুর রহমান বলেন, ‘ওনারা মামলা করবেন না, এমন কিছু শুনিনি। আজকে তাদের আসার কথা রয়েছে।’
প্রসঙ্গত কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগ তুলে শনিবার দুপুরে ‘শামীম বাবার দরবার শরিফ’ নামে এক ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
এসময় হামলাকারীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে ওই দরবারের প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামীম ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৬৫) হত্যা করে। হামলায় তার আরও তিন অনুসারী- মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের আহত হন।


