মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে সাথী আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর ভাগিনা রিপন মিয়ার (২০) বিরুদ্ধে।
হত্যাকাণ্ডের পর কয়েক ঘণ্টা ধারালো অস্ত্র হাতে মরদেহের পাশেই ঘরের ভেতরে অবস্থান করেন অভিযুক্ত। এ সময় নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্টোরিও দেন তিনি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘জীবনের লাস্ট স্টোরি, আমাকে মাফ করে দিয়েন।’
রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কাটিগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাথী আক্তার ওই এলাকার প্রবাসী শুকুর আলীর স্ত্রী। তাদের সাড়ে তিন বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
অভিযুক্ত রিপন মিয়া নিহতের স্বামীর ভাগিনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি গাড়ি চালানো শেখার পাশাপাশি গাড়ি ধোয়ার কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাড়ির ভেতরে সাথী আক্তারের সঙ্গে রিপনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাথীর গলায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
হত্যার পর রাত ১১টা পর্যন্ত ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে মরদেহের পাশেই বসে ছিলেন রিপন। স্থানীয়দের দাবি, এ সময় তার হাতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি ছিল। সেখানে বসেই নিজের ফেসবুক আইডিতে স্টোরি দেন রিপন।
খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রিপন মিয়াকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’


