দেশে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই বলে জাতীয় সংসদকে আশ্বস্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘উপজেলা, জেলা এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়সহ চার স্তরে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ রাখা হয়েছে। ফলে আগামী আশ্বিন মাসে কুকুরের কামড়ের ঘটনা বেড়ে গেলেও টিকার কোনো ঘাটতি হবে না।’
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কুকুরে কামড়ানো রোগীদের জন্য নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শূন্য ঘণ্টা থেকে শুরু করে ১৮ দিনের মধ্যে চারটি ডোজ অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন দিতে হয়। এ চাহিদা বিবেচনায় দেশের প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, কোনো উপজেলায় হঠাৎ রোগীর সংখ্যা বেড়ে গিয়ে ভ্যাকসিনের মজুদ শেষ হয়ে গেলে পাশের উপজেলা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। সেখানেও সংকট দেখা দিলে জেলা পর্যায় থেকে সরবরাহ করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জেলা পর্যায়ের মজুদও শেষ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন তাৎক্ষণিকভাবে কেনার ব্যবস্থা করবেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) থেকে নতুন সরবরাহ পৌঁছানো পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালু থাকবে।
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা চার স্তরে ভ্যাকসিন মজুদ রেখেছি। আমি সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করতে চাই, ইনশাআল্লাহ আসছে আশ্বিন মাসে কুকুরে কামড়ের ঘটনা বেশি হলেও আল্লাহর রহমতে ভ্যাকসিনের কোনো অভাব হবে না।’


