রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে স্কুলছাত্র রুমানকে (১৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার সকালে রমনা থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যায় সে।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে কামরাঙ্গীরচর পূর্ব রসুলপুর ৭ নম্বর গলিতে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত রুমান শরীয়তপুরের জাজিরা থানার মজিদ ফকিরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা জালাল ফকিরের ছেলে ও স্থানীয় সানলাইট কিন্টারগার্ডেনের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। বর্তমানে কামরাঙ্গীরচর পূর্ব রসুলপুর ৮ নং গলিতে পরিবারসহ বসবাস করতেন তারা।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সাইফুল রুমানের পেটে তিনবার ও কাঁধে একবার ছুরিকাঘাত করেন। আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিলে রুমানের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) প্রয়োজন হওয়ায় আবার মগবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মারা যায় রুমান।
ঘটনার পরদিন শনিবার রুমানের বাবা জালাল ফকির থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই অভিযান চালিয়ে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ওই মামলাটি ‘হত্যা মামলায়’ রূপান্তর করা হয়েছে। ঘাতক সাইফুল আদালতে সিআরপিসি ১৬৪ মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে তিনি কেরানীগঞ্জ জেল হেফাজতে রয়েছেন।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।


