কানাডার আলবার্টা প্রদেশে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের চঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে প্রদেশটির ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
আলবার্টার প্রিমিয়ার ডানিয়েল স্মিথ বলেছেন, ‘বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় আছে।’
আঞ্চলিক সময় সোমবার আইনসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, যদি তথ্য ফাঁস হয়ে থাকে, তাহলে দায়ীদের আইনের পূর্ণ মাত্রায় জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।
তিনি আরও বলেন, ‘এডমন্টন পুলিশ সার্ভিস, রয়েল ক্যানেডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ এবং ইলেকশন আলবার্টা এরই মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করছে।’
জানা গেছে, লাখ লাখ আলবার্টাবাসীর নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য একটি অনলাইন ডাটাবেজে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ডাটাবেজটি প্রকাশ করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন সেন্টুরিয়ান প্রজেক্ট।
অথচ ভোটারদের এই তালিকাটি বৈধভাবে সংগ্রহ করেছিল আলবার্টা রিপাবলিকান পার্টি।
তবে, আইন অনুযায়ী এই তথ্য তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে শেয়ার করা নিষিদ্ধ। কীভাবে এই তথ্য সেন্টুরিয়ান প্রজেক্ট-এর হাতে গেল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে, বিচারমন্ত্রী মিকে এমেরি বলেন, ‘পুরো ঘটনায় এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।’ ইলেকশন আলবার্টা কেন সাংবাদিকের অভিযোগ পাওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়নি তা তিনি জানতে চান।
ইলেকশন আলবার্টা জানিয়েছে, নতুন আইনের কারণে তদন্ত শুরু করার জন্য এখন আগের তুলনায় বেশি প্রমাণ প্রয়োজন হয়, তাই প্রথম অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, বিরোধী দলীয় নেতা নাহিদ নেনসি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘সরকার এই ঘটনাকে জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করছে না।’ এ নিয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া খুবই সীমিত এবং তারা দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রতিদিন নতুন তথ্য সামনে আসছে। সব তথ্য পরিষ্কার হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


