উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডায় ভিন্ন অভিজ্ঞতা এবং অন্যরকম রোমাঞ্চকর অনুভূতি নিয়ে প্রবাসীরা এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল উপভোগ করবেন। আয়োজক দেশ হিসেবে একদিকে উন্মাদনা অন্যদিকে বিশ্বসেরাদের লড়াই নিজ চোখে কাছ থেকে দেখা। ইতোমধ্যেই বিদেশী পর্যটকদের ভিড় জমেছে দেশটির টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার শহরে।
দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে কানাডার স্থানীয় সময় ১১ জুন ‘দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর পর্দা উঠতে যাচ্ছে। এই বিশ্বকাপকে ঘিরে আনন্দ- উচ্ছ্বাস আর ভিন্ন মাত্রার অভিজ্ঞতা যোগ হবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের।
গতানুগতিক বিশ্বকাপের তুলনায় চলতি বছরে স্বাগতিক দেশ হওয়ায় কানাডিয়ানদের কাছে এবারের বিশ্বকাপ ভিন্নমাত্রা যোগ করবে। প্রিয় দলের পক্ষে সমর্থকদের অংশগ্রহণ, উন্মাদনা আর উত্তেজনায় এক মাসেরও বেশি সময় কাটবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের।
টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে একাধিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকের ঢল নেমেছে। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে বাংলাদেশীরাও রয়েছেন।
কানাডা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে বিশ্বকে স্বাগত জানিয়েছে কানাডা সরকার। ‘কানাডা ওয়েলকামস দ্যা ওয়াল্ড’ স্লোগানে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। দেশটির ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যাডাম ভ্যান কুভারডেন বলেন, ‘এটি শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং বিশ্বের মানুষের মিলনমেলা।’
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই আসরে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজকের দায়িত্ব পালন করবে। এবারের আসরেই প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন হতে যাচ্ছে।
কানাডার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার শহরে মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে একাধিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকের ঢল নামবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বকাপকে ঘিরে বিলিয়ন ডলার রাজস্ব সৃষ্টি হবে এবং হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।


