কর্মসংস্থান গড়ে তোলা বিএনপি সরকারের বড় কর্মসূচি জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ট্যাক্স বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিনিয়োগ যদি না হয়, তাহলে দেশে কর্মসংস্থান হবে না। বিএনপি সরকারের বড় একটি কর্মসূচি হলো কর্মসংস্থান গড়ে তোলা। এজন্য আমরা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছি।’
শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রস্তাবিত একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জমি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতিতে সংকটময় পরিস্থিতি রয়েছে। তা কাটাতে ট্যাক্স বাড়ানো জরুরি। সরকার নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিক্ষার মানোন্নয়নেও কাজ করছে।’
স্বাস্থ্য খাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে জাতির কাছে যে পরিবর্তনের ওয়াদা করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী বাজেটেও কর্মসংস্থান প্রাধান্য পাবে। এটা করার জন্য যা যা দরকার, তা করা হবে।’
পরিদর্শনকালে তিনি পতেঙ্গা থানার জেলে পাড়া এলাকায় যান। বানৌজা উল্কার আবাদ অঞ্চল-২-এর পশ্চিম পাশে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা জমি ঘুরে দেখেন।
‘অর্থনীতিতে সংকটময় পরিস্থিতি রয়েছে। তা কাটাতে ট্যাক্স বাড়ানো জরুরি। সরকার নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিক্ষার মানোন্নয়নেও কাজ করছে।’
মন্ত্রী জানান, বন্দরনগরীর মেরিন ড্রাইভ এলাকায় একটি জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেখানে বিশেষায়িত কয়েকটি ইউনিট থাকবে। পাশাপাশি একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং টেকনোলজিস্টদের জন্য আরেকটি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। এ খাতে দেশে ঘাটতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে দেওয়া ১১ দফা ইশতেহার বাস্তবায়ন করা হবে। ‘কয়েকটি জায়গা আমরা দেখছি। তার মধ্যে মেরিন ড্রাইভের এই জায়গাটি একটি। সবকিছু বিবেচনা করে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে’, বলেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হাসপাতাল নির্মাণের জন্য নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত ১৪ দশমিক ২ হাজার ১৯০ একর এবং অতিরিক্ত ২ দশমিক ৭ একর জমি পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে জমির অবস্থান, ভৌগোলিক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক অবকাঠামো এবং সম্ভাব্য উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।
এ সময় বানৌজা উল্কার অধিনায়ক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নিয়াজ ভোলা ও সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেলও উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রস্তাবিত হাসপাতালটি বাস্তবায়িত হলে পতেঙ্গা ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সহজ হবে এবং চট্টগ্রাম মহানগরের চিকিৎসা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।


