কক্সবাজারে থার্টি ফার্স্ট নাইটকে ঘিরে চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা পুলিশ। এ সময় জেলা শহরের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তল্লাশি চৌকি স্থাপনসহ সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।
মঙ্গলবার বাড়তি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস।
তিনি জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইটকে ঘিরে কক্সবাজার শহরসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট, টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ সময় শহরের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি স্থানে বিশেষ নজরদারি নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে জেলা শহরে দুটি মোবাইল টিম, সাতটি টহল টিম এবং চারটি মোটরসাইকেল টিম মাঠে কাজ করছে।
কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রোবায়েত হোসেন জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারে নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
প্রয়োজনে সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। শহরে প্রবেশ ও বের হওয়া প্রতিটি যানবাহন কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এর সঙ্গে পর্যটক ও সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে চলাচল ও ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাস টার্মিনাল ও পর্যটন এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে জানান তিনি।
থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটবে জানিয়ে রামু ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন জানান, সড়ক পথে আগত পর্যটকসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হাইওয়ে সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কক্সবাজারের সৈকত, হোটেল জোন, পর্যটন স্পট ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে আশ্বস্ত করে কোনো পর্যটক হয়রানির শিকার হলে দ্রুত নিকটস্থ পুলিশ বা ট্যুরিস্ট পুলিশকে জানাতে অনুরোধ জানান তিনি।


