চলতি হিজরি সনের রমজান মাসের জন্য ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ বছর জনপ্রতি ফিতরার সর্বনিম্ন পরিমাণ ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় বুধবার দুপুরে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই হার চূড়ান্ত করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, কিশমিশ, খেজুর ও পনির—এই পণ্যগুলোর যেকোনো একটির মাধ্যমে ফিতরা আদায় করা যায়। আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা দিতে হবে। যব দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা, খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা, কিশমিশ দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা এবং পনির দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যেকোনো একটি বা তার বাজার মূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবেন। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাজার মূল্যের তারতম্য থাকতে পারে; সেক্ষেত্রে স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্য অনুযায়ী ফিতরা পরিশোধ করলেও তা আদায় হবে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম এবং দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই সর্বসম্মতভাবে এ বছরের ফিতরার হার অনুমোদিত হয়।


