২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ থেকে যতবার ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে, একবারও দুই দলের ক্রিকেটাদের হ্যান্ডশেক করতে দেখা যায়নি। সেটা পুরুষদের জাতীয় দল থেকে শুরু করে নারী ক্রিকেটার এমনকি বয়সভিত্তিক দলের তরুণরাও মেনে চলেছেন। মূলত গেল বছরের জুলাইয়ে কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর দুই প্রতিবেশি দেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবেই হ্যান্ডশেক থেকে বিরত থাকেন ভারতের ক্রিকেটাররা। যদিও পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা শুরু থেকেই নিয়ম মেনে হ্যান্ডশেক করতে চেয়েছেন।
রোববার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। সেই ম্যাচের আগে তাই অবধারিতভাবেই প্রশ্ন উঠল হ্যান্ডশেক নিয়ে। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগার কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভারতের ক্রিকেটারদের সাথে হ্যান্ডশেক করা নিয়ে তিনি কী ভাবছেন?
স্পিরিট অফ ক্রিকেটকে প্রাধান্য দিয়ে সালমান বলেন, ‘স্পিরিট অফ ক্রিকেটকে সামনে রেখেই খেলাটা খেলা উচিত। যদিও আমার ব্যক্তিগত মতামত এখানে প্রাধান্য পাবে না। তবে আবারও বলছি ক্রিকেটটা সেভাবেই খেলা উচিত, যেভাবে এতদিন ধরে খেলা সয়া হয়েছে। আর হ্যান্ডশেকের ব্যাপারটা তাদের (ভারত) ওপর নির্ভর করছে।”
শেষ লাইনে সালমান বুঝিয়ে দিয়েছেন, হ্যান্ডশেকে তাদের পক্ষে কোনো আপত্তি নেই। সিদ্ধান্ত এখন ভারতের হাতে। যদিও ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার সংবাদ সম্মেলনে খোলাসা করেননি কিছুই, সবাইকে বলেছেন আরো ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে। ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। ভালোমতো খাওয়া দাওয়া করুন, ঘুমান। আগামীকাল দেখা যাবে।’


