জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেক সভায় ২২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে মোট ৪৬ হাজার ৪১৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার শের-ই-বাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩০ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ এক হাজার ৬৮৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং একনেকের নিজস্ব অর্থায়ন ১৪ হাজার ২৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
এই সভাটি ছিল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সপ্তম একনেক সভা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮তম সভা। এবার ১৪টি নতুন প্রকল্প, পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করে তিনটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা এরইমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সম্বলিত ১০টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভাকে অবহিত করেন, যেগুলোর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ চর ও উপকূলীয় দ্বীপে অভিযোজন, নদী তীর সংরক্ষণ, বন্যা ব্যবস্থাপনা, র্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ক্যাম্পাস উন্নয়ন, ফরিদপুরের টেপাখোলা লেক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৩ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী অবসরপ্রাপ্ত, শিল্প, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।


