গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহজনক হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯ জন হওয়ায় সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯২২ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৯ আগস্টের স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের দুজন ঢাকায় এবং দুজন অন্য জেলায় মারা গেছেন। এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৩১ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮৭ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭১১ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৭৬ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। সন্দেহজনক রোগীদের মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১ লাখ ২২ হাজার ৮০৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়, ৩৩৯ জন। এরপর চট্টগ্রামে ২০৯, বরিশালে ১৩৪ এবং সিলেটে ১১৩ জন শনাক্ত হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৬৩ হাজার ৭৬৯ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরপর চট্টগ্রামে ২৭ হাজার ৭২৩ এবং বরিশালে ১৫ হাজার ৮৮৩ জন শনাক্ত হয়েছেন।
এদিকে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৯৪ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৭ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন। ফলে মোট টিকাদান কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৮ শতাংশে।
বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে টিকাদানের কভারেজ সবচেয়ে বেশি, ১১১ দশমিক ৩ শতাংশ। এরপর রংপুরে ১০৯ দশমিক ১ এবং ঢাকায় ১০৮ দশমিক ৭ শতাংশ। আটটি বিভাগই তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে।
সিটি করপোরেশনগুলোতে ২০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭৬ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ ডোজ। এতে মোট কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৭ দশমিক ৮ শতাংশ। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সর্বোচ্চ ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ কভারেজ হয়েছে। এরপর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১২ দশমিক ৩ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ১১০ দশমিক ৭ শতাংশ কভারেজ হয়েছে।


