প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।’
শনিবার ‘উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’ দিবস। এই উপলক্ষ্যে এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে ১১দফা ও উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।’
তিনি বলেন, ‘তৎকালীন স্বৈরাচারী অপশাসন ও দমনপীড়ন থেকে মুক্তির দাবিতে ১৯৬৯ সালের পুরো জানুয়ারি মাস ছিল আন্দোলনে উত্তাল। ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সেই আন্দোলন রূপ নেয় এক ব্যাপক গণবিস্ফোরণে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়নের প্রতিবাদে সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিক। গুলিতে আরও শহীদ হন মকবুল, আনোয়ার, রুস্তম, মিলন, আলমগীরসহ অনেকে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের এ আত্মত্যাগ এদেশের তরুণ সমাজকে যুগিয়েছে অফুরন্ত সাহস ও অনুপ্রেরণা।’
তিনি বলেন, ‘স্মৃতিবিজড়িত এদিনে আমি গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আসুন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সবাই মিলে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করি।’
প্রধান উপদেষ্টা দেশের মুক্তি সংগ্রামের সব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।


