ইরানের বন্দর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার

ইরানের বন্দর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার
ছবি: এএফপি/বাসস
Advertisement
Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি সইয়ের পর ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে চুক্তির পরবর্তী ধাপ নিয়ে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আলোচনা ও আনুষ্ঠানিক সই অনুষ্ঠান ঘিরে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে এএফপি।

দুই দেশের মধ্যে হওয়া চুক্তির মাধ্যমে আগামী ৬০ দিনের জন্য একটি আলোচনা পর্ব শুরু হয়েছে। এই সময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

চুক্তি সইয়ের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেলেও কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে এখনো স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি শুরু হয়নি। যুদ্ধ চলাকালে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কার্যত অবরোধ আরোপ করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী এটি দ্রুত খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ তুলে নেওয়া হলেও তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো এই অঞ্চলে অবস্থান অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন

সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে উপসাগর ত্যাগ করেছে। এ ছাড়া, ‘এমরাইক’ নামের একটি ফরাসি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী জাহাজ যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো এই পথ ব্যবহার করেছে। সামুদ্রিক সাময়িকী লয়েডস লিস্ট জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে গড়ে প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করত।

যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে অন্তত ১২টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, শুক্রবারের পরিবর্তে সপ্তাহান্তে তিনি সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে ‘কারিগরি আলোচনা’ করতে যেতে পারেন, যদিও পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক সই অনুষ্ঠান ও নতুন দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অন্যদিকে, ইরানের তাসনিম বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডে ইরানি প্রতিনিধিদলের সফর নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন থাকা দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad