সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক যুবককে জিম্মি করে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। পরে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার স্বজনের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবক বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন হাটিকুমরুল ইউনিয়নের নয়াপাড়া রশীদপুর গ্রামের হৃদয় হোসেন, শফি আহামেদ, নাঈম আহামেদ, সিয়াম হোসেন, মনিরুল ইসলাম, কাইয়ুম, তুহিন ও শফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে রাতে স্থানীয় একটি দোকানের পাশে অবস্থান করছিলেন ওই যুবক। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে কৌশলে কাছের একটি নির্জন বাঁশবাগানে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন তার ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
যুবকের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে যুবকের এক আত্মীয়ের কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী বলেন, ‘ঘটনার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে ২৮ সেপ্টেম্বর সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
সলঙ্গা থানার ওসি আসলাম আলী বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে যুবকটির মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি।’


