লেবার পার্টির এমপি ও সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, তিনি সন্দেহ করছেন বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় সাজা নিশ্চিত করতে ‘ভুয়া’ কাগজপত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা হতে পারে। বোরবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে দুটি প্রধান সংবাদপত্রে তার নামে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্টের ছবি প্রকাশিত হয়, যা তিনি ভুয়া বলে দাবি করেছেন। সিদ্দিক বলেন, ‘আমি এক বছর ধরে ভুয়া খবরের শিকার, কিন্তু এখন ভুয়া প্রমাণাদিও প্রকাশিত হচ্ছে।’
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঢাকায় একটি জমির প্লট পেতে তিনি তার খালা শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করেছেন। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
এর আগে কিয়ার স্টারমারের স্বাধীন উপদেষ্টা মন্ত্রীসভা কোড টিউলিপকে নির্দোষ ঘোষণা করেছিলেন। তবে তাকে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তার পারিবারিক সম্পর্ক ও ট্রেজারি ভূমিকা সম্পর্কে। সিদ্দিক, যা প্রমাণিত হয়, টাজারি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ছিলেন যে তার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে।
টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, তিনি কখনো বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাননি এবং তার পুরনো পাসপোর্ট ১৮ বছর বয়সে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছিল। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে ভুয়া দলিল তৈরির মাধ্যমে আরও ‘ভুয়া খবর’ ছড়ানো হতে পারে।
এ ছাড়া, ২০০১ সালে লন্ডনে তার পাসপোর্ট ইস্যু এবং ২০১১ সালে পরিচয়পত্র ইস্যুর দাবি করা হয়, যা তিনি (টিউলিপ সিদ্দিক) অস্বীকার করেছেন। ২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে তিনি দাবি করেছেন, কথোপকথনটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
টিউলিপ সিদ্দিক আরও অভিযোগ করেন, তাকে ঢাকায় মামলায় আইনজীবী নিয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং সরকার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।


