রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আসামিদের আদালতে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গণে জোরদার করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা।
রোববার সকাল ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে আসামি স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। পৌনে ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। দুই আসামিকেই এখন আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রায় ঘোষণার ঠিক আগের মুহূর্তে তাদের ট্রাইব্যুনালে ওঠানো হবে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সকাল ১১টায় এই রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকেই গণমাধ্যমকর্মীরা আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছেন। রায়কে ঘিরে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ প্রধান আসামি সোহেল রানার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও স্বপ্না খাতুনের লঘুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে। নিহত রামিসার পরিবারসহ দেশবাসী এই রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন।


