নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
তিনি বলেন, ‘আড়ি পাতার কারণে যাতে নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন না হয় সেজন্য এনটিএমসির বিষয়ে একটা গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তবে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সেসব নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’পালন উপলক্ষে ‘তারুণ্যের ক্ষমতা: ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪’শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজন করা হয়।
ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘সাড়ে পাঁচ কোটি নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েভে ফাঁস হয়েছে। এটা উদ্বেগজনক। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যসুরক্ষা নিয়ে কাজ করছি। এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে নীতিমালা তৈরির একটি ড্রাফট দেব। ন্যাশনাল ডাটা গভর্নেন্স তৈরির চেষ্টা করছি। নাগরিকদের ডাটা সুরক্ষা নিশ্চিতে এআই পলিসি নিয়েও কাজ চলছে।’
জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক দক্ষতা ও মানোন্নয়নের মাধ্যমে সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা দেওয়া চেষ্টা করার কথাও বলেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বাড়াতে প্রতিটি উপজেলার অন্তত একটি স্কুল ও একটি কলেজে গিয়ে আইডিয়া ও স্টার্ট-আপ বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা চলছে। এ ছাড়া সফটওয়্যার পার্কের নামে যেসব অবকাঠামো নির্মাণ করে ফেলে রাখা হয়েছিল, সেসব অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে দক্ষতা উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।’
বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব ঠিকমতো পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, অতিরিক্তি সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভুঞা, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ মেহেদী হাসান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম মেসবাহ উদ্দীন সরকার প্রমুখ।


