রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় বুধবার এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে হত্যার ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি আসেনি। তাদের কারা এবং কেন হত্যা করেছে সে ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকার মূল সমস্যা কিশোর গ্যাং। এসব অপরাধীরা নিয়মিত স্পট বদল করে। চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান, বসিলা, বোটঘাট, বিহারী ক্যাম্পসহ কয়েকটি স্পটে নিয়মিত অভিযান চলছে।’
‘বুধবার রাতে খুনের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ চেষ্টা করছে।’
মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান সড়কের লাউতলায় বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর এক ঘণ্টা পর আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ে ৬/এ সড়কে নিজ বাসার সামনে ইব্রাহীম নামে আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার তাদের দুজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হাসান বলেন, ‘আল আমিন হত্যার কারণ এবং কারা জড়িত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মামলা করবেন নিহতের মা। তবে সন্দেহভাজন অপরাধীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’
আদাবর থানার ওসি এসএম জাকারিয়া বলেন, ‘নিহত ইব্রাহীম পেশায় গাড়িচালক। তাকে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিরা গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হলে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
‘ইব্রাহীম হত্যার ঘটনায় তার ভাই কবির হোসেন বাদি হয়ে মামলা করেছেন। আটক দুই আসামি ছাড়াও এজাহারে অজ্ঞাতনামা আরা ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।’


