মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে চরম বিপদে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সবশেষ খবরে ৮৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের বিধ্বংসী বোলিংয়ে প্রথম ৮ ওভারেই ৪ উইকেট হারায় তারা।
টানা দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন। প্রথম ওয়ানডের প্রথম বলেই ম্যাথিউ শর্টকে বোল্ড করেছিলেন এই পেসার। এবার অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের চতুর্থ বলে আবারও তাকে বোল্ড করেন তিনি।
পরের ওভারে এসেই উইকেট উৎসবে যোগ দেন মুস্তাফিজ। তার প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে বিদায় নেন কুপার কনলি। অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে শূন্য রান।
এক ওভার পর চাপ আরও বাড়ে। মুস্তাফিজের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ম্যাট রেনশ। মাঠের আম্পায়ার আউট না দিলেও বাংলাদেশ সফল রিভিউ নেয়। অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে মূন্য রান।
এমন ব্যাটিং ধস অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে নজিরবিহীন। ১ হাজারের বেশি ওয়ানডে খেলা দলটি কখনো বোর্ডে কোনো রান তোলার আগে প্রথম ৩ উইকেট হারায়নি। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় ওপেনিং জুটি হিসেবে যৌথভাবে শূন্য রানে আউট হলেন শর্ট ও কনলি।
এরপর জোশ ইংলিশ ও অ্যালেক্স ক্যারি ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করলেও বাংলাদেশ চাপ বজায় রাখে। ১৭ বলে ওয়ানডে স্টাইলে ১৩ রান করা ক্যারিকে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মুস্তাফিজ।
৮ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৫। এরপর অধিনায়ক ইংলিশের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইনিংস পুনর্গঠনের লড়াই শুরু করেন ক্যামেরন গ্রিন।
প্রথম ম্যাচে ৮৬ রানের জয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ। ২০০৫ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেটিই ছিল দলটির প্রথম ওয়ানডে জয়। বল হাতে দারুণ এই সূচনায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ এখন মেহেদী হাসান মিরাজের দলের সামনে।


