শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ‘অসুরের মুখে দাড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চক্রান্তের’ পেছনে ফ্যাসিস্টদের দোসরদের মদদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কিছু ফ্যাসিস্ট তাদের সহযোগী ও বুদ্ধিজীবীর ইন্ধনে কয়েকটি পূজামণ্ডপে “অসুরের মুখে দাড়ি” লাগিয়ে ধর্মীয় বিভেদ এবং “সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও সহিংসতার” সৃষ্টির পায়তারা করেছিল কিন্তু সকলের সহযোগিতায় আমরা এই কুচক্রিদের চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছি।’
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কমিটির মিটিং প্রতি সপ্তাহেই হয়। এতে আমাদের দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাপারে আলোচনা হয়। গত শারদীয় দুর্গাপূজায় সম্বন্ধেও আলোচনা হয়েছে।’
তিনি জানান, বৈঠকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, চাঁদাবাজি, মাদক এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় একটা ঘটনা ঘটছিল, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে “পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করার চেষ্টা” হয়। এছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপে “অসুরের মুখে দাড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চক্রান্তের” পেছনে ফ্যাসিস্টদের দোসরদের মদদ রয়েছে, যা ইতোমধ্যে প্রতিমান হয়েছে।’
‘একটি পার্শ্ববর্তী দেশ দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈর করার সময় আমাদের “প্রধান উপদেষ্টাকে যেভাবে নিন্দনীয়ভাবে উপস্থাপন” সংবাদ পাওয়া গেছে এবং “অসুরের মুখে দাড়ি দেওয়ার কাজটির মধ্যেও তারই যোগসূত্র” দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা, গোয়েন্দা সংস্থার করা নজরদারী, পূজা মণ্ডপ কমিটির সহযোগিতা এবং আপনাদের সহযোগিতায় আমরা এই “কুচক্রিদের চক্রান্ত” নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছি।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের সহযোগীরা কয়েকটি পূজামণ্ডপে “অসুরের মুখে দাড়ি” লাগিয়ে ধর্মীয় বিভেদ এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও সহিংসতার সৃষ্টির পায়তারা করেছিল। এই ঘটনায় কিছু ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীরও ইন্ধন ছিল। কিন্তু তাদের সে ষড়যন্ত্র সফল হয়নি।’
‘গতবারের ন্যায় এবারও সারাদেশে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, নির্বিঘ্ন এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেজন্য আমি সেনাবাহিনী এবং বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সর্বোপরি সকল সাধারণ জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’


