সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪) নামে এক মুদিদোকানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা করার পর পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর উপজেলার চরশ্রীপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে প্রতিবেশী মোস্তাফিজুরের দোকানে খাবার কিনতে যায়। দোকানে কেউ না থাকার সুযোগে মোস্তাফিজুর তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। কিশোরী রাজি না হওয়ায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে তাকে উদ্ধার করেন। সঙ্গে সঙ্গে মোস্তাফিজুরকে দোকানে আটকে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করেন, মোস্তাফিজুর আগেও তার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। ওই ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে সে দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিল। বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় মেয়েটি এত দিন মুখ খোলেনি।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর জবানবন্দি ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য তাকে সাতক্ষীরা সদরের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


