প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবাল, তার সহযোগী ও সংশ্লিষ্টদের ২৪২ কোটি ৯০ লাখ ৮৭ হাজার ৬৯৬ টাকার ৩২১টি পে-অর্ডার অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার এ আদেশ দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত। দুদকের পক্ষে আবেদন করেন উপপরিচালক মো. হোসাইন শরীফ।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, এইচ বি এম ইকবাল, তার পরিবারবর্গ এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংঘটিত মানি-লন্ডারিং অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র ও তথ্যাবলি বিবেচনায় দেখা যায়, তারা বেশ কিছু নতুন হিসাব খুলে লেনদেন পরিচালনা করছেন।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের কতিপয় কর্মকর্তার সহায়তায় ইকবাল ও তার পরিবারের বিভিন্ন হিসাব বন্ধ করে/তাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ব্যাংকটির বনানী ও গুলশান শাখা থেকে ৩৬৪টি পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে, যার মোট মূল্যমান টাকা ২৮৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৬ হাজার ৩৫৬ টাকা।
ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, উক্ত অর্থ ইকবাল ও তার সহযোগীরা অন্যত্র স্থানান্তর এবং বিদেশে পাচার করার চেষ্টা করছেন। এ প্রেক্ষাপটে সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে নিম্নবর্ণিত পে-অর্ডারসমূহের লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা যায়, তারা এসব পে-অর্ডারের মাধ্যমে অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর/হস্তান্তরের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। বর্ণিত পে-অর্ডারসমূহের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। অতএব, উপর্যুক্ত পে-অর্ডারসমূহের লেনদেন স্থগিত/অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।


