ঝরে পড়াদের জন্য ১৬ জেলায় ‘স্কিলফো’

ঝরে পড়াদের জন্য ১৬ জেলায় ‘স্কিলফো’
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘স্কিলফো’র পাইলট কার্যক্রম ও গবেষণার ভিডিও চিত্র প্রকাশ করে ইউনিসেফ। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদেরকে সামাজিক ও আর্থিকভাবে উন্নত জীবন ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার উদ্দেশে এবার ১৬ জেলায় ‘স্কিলফো’ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ও বাংলাদেশ সরকার।

ইউনিসেফ বলছে, ‘বিদ্যালয় বহির্ভূত কিশোর-কিশোরীদের জন্য দক্ষতাকেন্দ্রিক সাক্ষরতা (স্কিলফো)’ শিরোনামের এ পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাত হাজার কিশোর-কিশোরী উপকৃত হয়েছে।’

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে স্কিল ফোকাসড লিটারেসি ফর আউট অব স্কুল অ্যাডোলেসসেন্ট প্রজেক্টের (স্কিলফো) পাইলট কার্যক্রম ও গবেষণার ভিডিও চিত্র প্রকাশ করে ইউনিসেফ।

ইউনিসেফ বলছে, বর্তমানে প্রকল্পটি জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে দেশের ১৬ জেলার এক লাখের বেশি কিশোর-কিশোরীর সামনে নতুন সুযোগ আসছে।

এই পরীক্ষামূলক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এক লাখের বেশি বিদ্যালয়বহির্ভূত ও এনইইটি (নট ইন এডুকেশন, এমপ্লয়মেন্ট অর ট্রেনিং- যারা শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত নয়) কিশোর-কিশোরীকে প্রাথমিক সাক্ষরতা এবং চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা অর্জনের পথ দেখানো হবে।

যুব জনসংখ্যা, স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতার চাহিদা, চাকরির বাজারের সম্ভাবনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে প্রকল্পের এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় বলেন, এই কর্মসূচি দেশের ৬৪ জেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।

ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ও যুব সমাজকে ক্ষমতায়নের প্রতি সরকারের যে অঙ্গীকার, তা জোরদার করতে পরবর্তী পদক্ষেপ হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে টেকসই সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশজুড়ে স্কিলফো সম্প্রসারণ ও সেটাকে প্রাতিষ্ঠানিক করা।’

তিনি আরও বলেন,  ‘বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় দুই মিলিয়ন মানুষ বিদেশে কাজের জন্যে গেলেও দুঃখজনক সত্য এদের মধ্যে মাত্র দুই শতাংশ মানুষ কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ। এর ফলে তারা কম আয় করছে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি  তাদের আয় বৃদ্ধি করাও সম্ভব।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় ইউনিসেফ ও স্কিলফোর এ কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন , ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষায় পিছিয়ে। এজন্যে আমাদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দ্বায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জানান প্রতিবছর লক্ষাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েট হলেও তারা দক্ষতায় পিছিয়ে। ইউনিসেফ ও স্কিলফো প্রোজেক্টের ভবিষ্যত পরিকল্পনায় পাশে থাকারও আশ্বাস দেন এ উপদেষ্টা।

এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সেক্রেটারি কে এম কবিরুল ইসলাম, মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ,ইউনিসেফ বাংলাদেশের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad