‘৬০% বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা, শুধু ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়’

‘৬০% বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা, শুধু ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়’
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঢাকা শহরে মশার প্রজননস্থল শনাক্তে পরিচালিত জরিপে ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; এ জন্য নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সোমবার ডিএসসিসির নগর ভবন অডিটোরিয়ামে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশকনিধন কার্যক্রম নিয়ে জরুরি সমন্বয় সভা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, ‘ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। জনসচেতনতার ওপর ৮০ শতাংশ নির্ভর করে।’ এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বাড়ি, ছাদ, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যবেক্ষণের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বড় ভবনের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে বের হওয়া পানি পাইপ দিয়ে রাস্তায় ফেলে রাখা হচ্ছে। সেই পানি কয়েক দিন জমে থাকলে মশার লার্ভা তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এসি আমি চালাই, ঠান্ডা আমি গ্রহণ করছি, আর নিঃসৃত পানি এক জায়গায় জমে থাকবে—এটার দায়িত্ব কার? তিন-চার দিন পানি জমে থাকলে সেখানে মশার লার্ভা হবে।’

আরও পড়ুন

নির্মাণাধীন ভবনগুলোতেও মশার প্রজননস্থল পাওয়ার কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তার ভাষ্য, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ হলেও অনেক জায়গায় জমে থাকা পানি অপসারণের ব্যবস্থা নেই।

তিনি বলেন, ‘মশা তো আর দেখে কামড়াবে না, ওই বাড়ির মালিককেও কামড়াতে পারে।’

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগামী দুই মাস প্রতি শনিবার বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করবে ডিএসসিসি। এ কর্মসূচির আওতায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশকনিধন কার্যক্রম জোরদার করা করার আহ্বান জানান আবদুস সালাম।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিজ নিজ জায়গা পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নিতে হবে।

জনসচেতনতা বাড়াতে সংবাদমাধ্যমের সহযোগিতাও চান তিনি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বার্তা নিয়মিত প্রচারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘“ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা”—এই কথাটুকু যদি আপনারা প্রচার করেন, জনসচেতনতা আরও বাড়বে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর