স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল মানবিক সাম্য ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা। বর্তমান সরকার সেই স্মৃতিগুলো ধারণ করবে এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে লালমনিরহাটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার সূচনা ৫২ থেকেই শুরু হয়েছিল। বিগত সময়ের সরকার সেই স্বাধীনতার চেতনাকে বিক্রি করে দিয়েছিল বলেই সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।’
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে সব অর্জনের সূচনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের আঞ্চলিক ভাষা ও কৃষ্টি-কালচার আমাদের গর্ব।’ বিশেষ করে জারি, সারি, ভাটিয়ালি ও ভাওয়াইয়ার মতো লোকজ ঐতিহ্যগুলোকে টিকিয়ে রাখতে জাতীয় পর্যায়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলে মনে করেন মন্ত্রী।
দেশের বিভিন্ন জাতি ও গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও জাতীয়তাবাদ রক্ষার ওপর জোর দিয়ে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘কোনো জাতিগোষ্ঠীর ভাষাই যেন হারিয়ে না যায়, সেই দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে।’
সেই সঙ্গে তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পাশাপাশি চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকেও দলের আদর্শিক রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মন্ত্রীর পাশাপাশি জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা, বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


