সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।
রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়। ফলে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ শুধু তার ক্ষেত্রে বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, সারা হোসেন, মোনায়েম নবী শাহীন প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান চৌধুরী।
এর আগে গত ১৭ মে হাইকোর্ট রুলসহ এ আদেশ দেয়।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। অবসরের পর তিনি তিন দফা আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার খোবাইব হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে আছেন। পরবর্তীতে তাকে কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। হত্যা, হত্যাচেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ক রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।


