দেশের প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাটের স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাটের ব্যাগ পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম।
সোমবার বিকালে সাভারের জৈনাবাড়ীতে জুট ফাইবার বিডির ব্যাগ উৎপাদন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পাইলট প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত পাটের স্কুল ব্যাগের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ৪৯৫ উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতি বিদ্যালয়ে গড়ে ২০০ জন শিক্ষার্থী বিবেচনায় পাইলট পর্যায়ে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থীকে পাটের স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। ব্যাগ উৎপাদনের কাজে ৫৪ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হয়েছে এবং জেডিপিসি পিএলসির মাধ্যমে এসব ব্যাগ সংগ্রহ করা হবে।’
পাট শিল্পের রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রয়োজনীয় পাট বীজ আমদানি করতে হয়। পাটের বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করছে। একই সঙ্গে পাট চাষিদের প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদান এবং পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অনেক নদী, নালা ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকরা সময়মতো পাট জাগ দিতে পারছেন না, যা পাটের গুণগত মান ও উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাট চাষী ও পাট শিল্পকে সুরক্ষা দিতে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’


