উয়েফা নেশনস লিগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে বেঞ্চে রেখেই আর্লিং হালান্ডের নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। অসলোতে ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি নরওয়ে।
ম্যাচে পর্তুগালের হয়ে গোল করেন জোয়াও ফেলিক্স ও গনসালো রামোস। নরওয়ের একমাত্র গোলটি করেন আর্লিং হালান্ড।
১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। বাঁ দিক থেকে পেদ্রো নেতোর পাস পেয়ে বক্সের সামনে থেকে দারুণ শটে বল জালে পাঠান জোয়াও ফেলিক্স। নেশনস লিগে পর্তুগালের টানা দুই ম্যাচেই গোল করলেন তিনি।
পিছিয়ে পড়ার পর আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে নরওয়ে। প্রথমার্ধেই গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগ পান হালান্ড। তবে পর্তুগালের রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি নরওয়ের এই তারকা। এক পর্যায়ে নিশ্চিত গোলের সুযোগও নষ্ট করেন তিনি।
বিরতির পর ৫১ মিনিটে অবশ্য সমতায় ফেরে নরওয়ে। ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া ফিরতি বল কাজে লাগিয়ে গোল করেন হালান্ড। এটি নেশনস লিগে তার ২২তম গোল। নরওয়ের জার্সিতে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৬৫-তে। জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ ১৭ ম্যাচের ১৬টিতেই গোল করার কৃতিত্বও ধরে রাখেন তিনি।
তবে নরওয়ের সমতায় ফেরার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৫৫ মিনিটে গোল করে পর্তুগালকে আবারও এগিয়ে দেন গনসালো রামোস।
পর্তুগালের আক্রমণ সামলাতে গিয়ে বড় ভুল করেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিলান্ড। সামনে থাকা রামোসের দিকে বল ঠেলে দেন তিনি। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে রামোস আলতো চিপে বল জালে পাঠান। রোনালদোর জায়গায় মাঠে নামা এই স্ট্রাইকারের গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে।
এরপর আরও একবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রামোস। রাফায়েল লেয়াওয়ের শট পোস্টে লেগে ফিরলে তার নেওয়া শট বাইরে চলে যায়। পরে রামোস আরও একটি গোল করলেও ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। চোটের কারণে ম্যাচে ছিলেন না ব্রুনো ফার্নান্দেজ।
এই জয়ে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পর্তুগাল। দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নরওয়ে। একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে ওয়েলসকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ডেনমার্ক। গোল ব্যবধানে পিছিয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক।


