রাবিতে ছাত্রলীগের ২ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

রাবিতে ছাত্রলীগের ২ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুমে ঢুকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধে।

সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, হামলার পর আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময়ও তাদের ওপর মারধর করা হয়।

ঘটনার শুরু রোববার রাতে। ‘অস্ত্রের মুখে প্রেমে রাজি করানোর চেষ্টা’র অভিযোগে এক শিক্ষার্থী প্রক্টর দপ্তরে গেলে অভিযুক্ত মহসিন আলমের অভিভাবক পরিচয়ে সেখানে যান ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আনাস। এ সময় প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের সঙ্গে তার অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে।

পরদিন সোমবার প্রক্টর দপ্তরে বৈঠকে আনাস উপস্থিত হলে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বির ও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে চড়-থাপ্পড় দেন। পরে ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা থাকলেও প্রক্টর তাকে ছেড়ে দেন।

এর কিছুক্ষণ পর আনাস ও তার সঙ্গীরা রাকসু কার্যালয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করে রাকসু। এ ঘটনায় রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস শাকিব আহত হন।

আরও পড়ুন

রাকসু নেতাদের অভিযোগ, হামলার পর আনাস ও তার সঙ্গীরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুমে আশ্রয় নেন। পরে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ রাকসু ও শিবিরের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাদের মারধর করেন।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং রাকসু কার্যালয়ে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এক ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়।

রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘তিন-চারজন রাকসু কার্যালয়ে বৈঠক করছিলাম। এ সময় তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদককে আহত করে পালিয়ে যায়।’ তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ ও প্রশাসন ছাত্রলীগের বিষয়ে দীর্ঘদিন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে আনাস ও তার সঙ্গীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সার্বিক পরিস্থিতি জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৈঠকে আছেন জানিয়ে ফোন কেটে দেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad