সরকার মূল্যবোধভিত্তিক, আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টানারশিপ ফর অ্যাডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্র্যান্ট অ্যান্ড মাল্টিপিলার গ্র্যান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।
তিনি জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা সংস্কার নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। নতুন নতুন বিষয় এবং ধাপে ধাপে তৃতীয় ভাষা শিক্ষাও চালু করা হবে।
তিনি বলেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে সংস্কৃতি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ধারণার ভিত্তিতে, যেখানে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে নয়, বরং সহযোগিতামূলক পরিবেশে শেখার সুযোগ তৈরি করা হবে।
মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বৈষম্যহীন করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে। ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সারা দেশে অভিন্ন ইউনিফর্ম, স্কুল ব্যাগ, জুতা এবং ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বৈষম্যহীন করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে। ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সারা দেশে অভিন্ন ইউনিফর্ম, স্কুল ব্যাগ, জুতা এবং ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এজন্য প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে।
অনুষ্ঠানে নতুন সরকারের শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রমে ৪৮ মিলিয়ন ডলারের অনুদান ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এই অর্থ শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হবে।
এ সময় শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


